মেহেরপুরে নিঃসন্তান এক গৃহবধূকে চিকিৎসার নামে ধর্ষণের দায়ে কবিরাজকে সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মেহেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত মুজা শেখ ওরফে মুজা কবিরাজ (৬০) মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের শেখপাড়ার হযরত আলীর ছেলে।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার চিতল গ্রামের এক নিঃসন্তান দম্পতি সন্তান লাভের আশায় কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। সেখানে চিকিৎসার কথা বলে কবিরাজ মুজা শেখ ওই দম্পতিকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। এক পর্যায়ে ওষুধ দেওয়ার নাম করে স্বামীকে অজ্ঞান করে তিনি গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার পরদিনই ভুক্তভোগী দম্পতি মেহেরপুর সদর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর মুজা কবিরাজের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে।
রায় ঘোষণার সময় রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, এই রায় সমাজে একটি বার্তা দেবে যে, ধর্মের দোহাই দিয়ে বা অপচিকিৎসার আড়ালে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। আমরা আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরেছি। আশা করি এই রায়ের ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) মেহেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আলী মাসুদ শেখ এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডিত মুজা শেখ ওরফে মুজা কবিরাজ (৬০) মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের শেখপাড়ার হযরত আলীর ছেলে।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা উপজেলার চিতল গ্রামের এক নিঃসন্তান দম্পতি সন্তান লাভের আশায় কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। সেখানে চিকিৎসার কথা বলে কবিরাজ মুজা শেখ ওই দম্পতিকে একটি কক্ষে নিয়ে যান। এক পর্যায়ে ওষুধ দেওয়ার নাম করে স্বামীকে অজ্ঞান করে তিনি গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন।
ঘটনার পরদিনই ভুক্তভোগী দম্পতি মেহেরপুর সদর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর মুজা কবিরাজের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে।
রায় ঘোষণার সময় রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন এবং আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মিয়াজান আলী।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন বলেন, এই রায় সমাজে একটি বার্তা দেবে যে, ধর্মের দোহাই দিয়ে বা অপচিকিৎসার আড়ালে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। আমরা আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরেছি। আশা করি এই রায়ের ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক